হবিগঞ্জে সপ্তাহের ব্যবধানে কাঁচা মরিচের ট্রিপল সেঞ্চুরি

1 day ago 1
ARTICLE AD BOX

হবিগঞ্জে লাগামহীনভাবে বেড়েই চলেছে কাঁচামরিচের দাম। কয়েকদিন আগেই দু’শ টাকা ছাড়িয়েছিল। রোববার (২৬ জুলাই) তা ট্রিপল সেঞ্চুরি করেছে। বাজারগুলোতে ৩শ’ টাকা কেজি দরে খুচরা বিক্রি হচ্ছে কাঁচা মরিচ। সবজির দামও চড়া।

বাজারে দেখা যায়, সর্বনিম্ন ৩০ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি হচ্ছে। এরপরই রয়েছে পেঁপে ৫০ টাকা কেজি। হঠাৎই দাম বৃদ্ধির ফলে হিমশিম খাচ্ছেন সাধারণ ক্রেতারা।

জেলা শহরের বড় বাজার, চৌধুরী বাজার, সিনেমাহল বাজার ও শায়েস্তানগর বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রকারভেদে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২৬০ থেকে ৩০০ টাকা দরে। শুধু কাঁচা মরিচ নয়, বাজারে অন্যান্য সবজির দামও বাড়ছে হুঁ হুঁ করে। ঢেঁরস, চিচিংগা ৮০ টাকা কেজি, ঝিঙ্গা, কচুমুখি ৬০, পেঁপে ৫০, বেগুন ১০০ এবং টমেটো ১২০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ছোট সাইজের একটি লাউ ৮০ টাকা। মিষ্টি কুমড়ার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা যা আগে এই দামে বিক্রি হয়নি। গত বছরও একেকটি ৫/৬ কেজি ওজনের সাইজের মিষ্টি কুমড়া বিক্রি হতো ৪০ থেকে ৫০ টাকায়। যা সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।

স্থানীয় খুচরা বিক্রেতারা জানান, অতিবৃষ্টি এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সাম্প্রতিক বন্যার প্রভাবে কাঁচা মরিচসহ অন্যান্য সবজির উৎপাদন ও সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছে। এছাড়া বাজারে চাহিদার তুলনায় সরবরাহও কম। ফলে বাজারে সব ধরনের সবজির মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে।

হবিগঞ্জে সপ্তাহের ব্যবধানে কাঁচা মরিচের ট্রিপল সেঞ্চুরিকাঁচা মরিচের ট্রিপল সেঞ্চুরি

সিনেমাহল বাজারের খুচরা ব্যবসায়ী সুভাষ দাশ জানান, প্রতিটি জিনিসই অতিরিক্ত দাম দিয়ে কিনে আনতে হচ্ছে। কাঁচা মরিচ পাইকারীই ২৬০ থেকে ২৮০ টাকা কেজি দরে কিনতে হয়। সবজিও বেশি দামে কিনতে হয়। ফলে আমরা ইচ্ছা থাকলেও কম দামে বিক্রি করতে পারি না। লোকসান তো দিতে পারি না।

অপর খুচরা ব্যবসায়ী সফর আলী বলেন, ‘গত সপ্তাহেও প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ খুচরা ১৮০ থেকে ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে পেরেছি। কিন্তু এখন পাইকারি দরেই ২৮০ টাকায় কাঁচা মরিচ কিনতে হয়। খুচরা তিনশ টাকায় বিক্রি করতে না পারলে লোকসান হবে। ফলে ইচ্ছা না থাকা সত্ত্বেও চড়া দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। সব ধরনের সবজির দামই বেড়েছে।’

আকস্মিক মূল্য বৃদ্ধিতে চরম বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষ। ক্রেতারা দ্রুত বাজার তদারকি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন। যাতে অসাধু ব্যবসায়ীরা সুযোগ নিয়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে না পারে।

সৈয়দ এখলাছুর রহমান খোকন/কেজে/এএসএম

Read Entire Article